আমি মুসলিম - ইসলাম আমার ধর্ম

আমি মুসলিম  -  ইসলাম আমার ধর্ম

Commentaires

বেইমান
A
Nice
আমার বাবা-মা আমার পৃথিবী ও আমার জান্নাত
Assalamalikoum Miranam Riyazkahn
★ ★★ ★★★ ★ ★
হে আল্লাহ..... 🕋 🗺️ বিশ্বের ১৮০ কোটি মুসলমানের মধ্যে যার হাতটি তোমার পছন্দ হয়।🤲তার হাতের উছিলায় ♒করোনা ভাইরাস থেকে আমাদের মুক্ত করে দাও।#আমিন🤲
Yoghsepm

তুরস্কের বেশিরভাগ মসজিদের দেওয়ালে একটি কথা লেখা থাকে, কথাটি হলো:

‘মুহতারাম, নামাজ পড়ার সময় যদি পেছনের সারি থেকে বাচ্চাদের হাসির আওয়াজ না আসে তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের ব্যাপারে ভয় করুন।’

আমরা আমাদের শিশুদের মসজিদে নিয়ে যাই। বিশেষ করে রমজান মাস, দুই ঈদ ও জুমার দিনে। বাবা, দাদা-নানা ও ভাইয়ের সঙ্গে মসজিদে যেতে শিশুরাও আনন্দ ও আগ্রহ বোধ করে। তাই পাঞ্জাবি-টুপি পরে তারাও বড়দের হাত ধরে নামাজের জন্য মসজিদে চলে আসে। বাংলার ঐতিহ্যের এটি একটি চোখজুড়ানো দৃশ্য। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই শিশুদের আল্লাহর ঘরের সঙ্গে পরিচয় করানো ও নামাজের জন্য অভ্যস্ত বানানো একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কেননা শিশুকালে যে জিনিসে অভ্যাস হয়, পরে তা করা সহজ হয়, নচেৎ তা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এ জন্যই হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা তোমাদের বাচ্চাদের সাত বছর বয়স থেকেই নামাজের নির্দেশ দাও। আর যখন ১০ বছর বয়সে উপনীত হবে, তখন তাদের নামাজে অবহেলায় শাসন করো।’ (আবু দাউদ : ৪৯৫)।
কিন্তু সমাজের অধিকাংশ বয়োবৃদ্ধ মুসল্লির মাঝে প্রচলিত একটি ভুল ধারণা হলো, ছোট ছোট শিশুকে মসজিদে নেওয়া যাবে না কিংবা গেলেও তাদের সবার পেছনে অথবা একেবারে এক পাশেই দাঁড়াতে দিতে হবে। তাতে যতটা না সমস্যা, তার চেয়ে বড় সমস্যাটা হলো এই কোমলমতি শিশুদের সঙ্গে এমন রুক্ষ-রূঢ় আচরণ করা হয়, যার ফলে মসজিদের প্রতি তাদের আগ্রহ কমে যায়। আর অভিভাবকরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে যান।

অথচ আমরা জানি, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন মসজিদে নববিতে সালাত আদায় করতেন, তখন তাঁর নাতিদ্বয় হাসান ও হুসাইন (রা.) তাঁর ঘাড়ে চড়ে বসতেন। এমনকি তাদের এ খেলায় যেন ব্যাঘাত না ঘটে, সে কারণে রাসুলুল্লাহ (সা.) সিজদায় বিশেষ সময় অতিবাহিত করতেন। সাহাবিরাও তা প্রত্যক্ষ করতেন।
তবে শিশুদের মসজিদে নেওয়ার ক্ষেত্রে শরিয়ত নির্ধারিত কিছু নিয়ম-নীতি রয়েছে। যেমন

১. শিশু একেবারে অবুঝ হলে মসজিদে আনা নিষেধ।
যেমনটা ৩/৪ বছরের বাচ্চারা করে থাকে। যে লাফালাফি, দৌড়াদৌড়ি, নামাজির সামনে দিয়ে অতিক্রম, পেশাব-পায়খানা ইত্যাদি করে মসজিদের আদবের খেলাফ করে। এ কারণেই তাদের ব্যাপারে রাসুল (সা.) সতর্ক করেছেন।

হাদিসে এসেছে, হজরত ওয়াসিলা (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, ‘তোমরা তোমাদের মসজিদকে অবুঝ শিশু ও পাগলদের থেকে দূরে রাখো, তদ্রƒপ ক্রয়-বিক্রয়, বিচার-আচার, উচ্চ স্বর, দ-দান ও তরবারি কোষমুক্ত করা থেকে বিরত থাকো।’ (ইবনে মাজাহ :৭৫০)।

২. নামাজের কাতারে বুঝমান নাবালেগ শিশুর অবস্থান।
বুঝ হয়েছে, এমন নাবালেগ শিশুদের ব্যাপারে বিধান হলো, যদি শিশু একজন হয়, তাহলে তাকে বড়দের কাতারেই সমানভাবে দাঁড় করাবে। এক্ষেত্রে বড়দের নামাজের কোনো অসুবিধা হবে না। একাধিক শিশু হলে সাবালকদের পেছনে পৃথক কাতারে দাঁড় করানো সুন্নত। তবে হারিয়ে যাওয়া বা দুষ্টুমি করার আশঙ্কা হলে, বড়দের কাতারেও মুসল্লিদের মাঝে মাঝে দাঁড়াতে পারবে।

(আলবাহরুর রায়েক : ১/৬১৮, আদ্দুররুল মুখতার : ১/৫৭১)।

মসজিদে ছোটরা এলে দুষ্টুমি করবে এটাই স্বাভাবিক। তাই ছোটরা নামাজে এলে তাদের পাশে নিয়ে নামাজে দাঁড়ান, তাদের আলাদাভাবে দাঁড়াতে দেবেন না। ছোটরা আলাদাভাবে দাঁড়ালে দুষ্টুমি করবে, বড়দের সঙ্গে একত্রে দাঁড়ালে আর দুষ্টুমি করার সুযোগ পাবে না।

সেই সঙ্গে তাদের আদর করে, স্নেহ দিয়ে বুঝিয়ে বলুন, মসজিদে হাসাহাসি-দুষ্টুমি করলে মসজিদের পবিত্রতা এবং মুসল্লিদের মনোযোগ নষ্ট হয়। দেখবেন তারা চুপ থাকবে।

হাদিসে আছে, রাসুল (সা.) বলেছেন ‘যে ব্যক্তি ছোটদের দয়া আর বড়দের পরোয়া করে না সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়!’ (মুসলিম : ১/৬)।

তুরস্কের বেশিরভাগ মসজিদের দেওয়ালে একটি কথা লেখা থাকে, কথাটি হলো : ‘মুহতারাম, নামাজ পড়ার সময় যদি পেছনের সারি থেকে বাচ্চাদের হাসির আওয়াজ না আসে তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের ব্যাপারে ভয় করুন।’

একটি লাভজনক ব্যবসা !

মদীনার বাগানগুলোর মধ্যে এক ইয়াতীম ছেলের একটি বাগান ছিল। তার বাগানের সাথে লাগোয়া বাগানের মালিক ছিলেন আবু লুবাবা নামের এক লোক। সেই ইয়াতীম ছেলেটি নিজের বাগান বরাবর একটি প্রাচীর দিতে গিয়ে দেখল, প্রতিবেশীর একটি খেজুর গাছ সীমানার মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। ছেলেটি তার প্রতিবেশীর কাছে গিয়ে সমস্যার কথা বলে সীমানার খেজুর গাছটি কিনতে চাইলো যাতে প্রাচীরটি সোজা হয়। কিন্তু প্রতিবেশী আবু লুবাবা কোনভাবেই রাজী হচ্ছিল না।
কোন উপায় না পেয়ে সেই ইয়াতীম রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এর কাছে গিয়ে পুরো ঘটনা বুঝিয়ে বললো। আল্লাহর রাসুল ﷺ ডেকে পাঠালেন আবু লুবাবাকে। সে মসজিদে নববীতে আসলে নবী করীম ﷺ সেই খেজুর গাছটি অর্থের বিনিময়ে হলেও ইয়াতীম ছেলেটিকে দিয়ে দিতে অনুরোধ করলেন।
আবু লুবাবা যথারীতি রাজী হলো না। রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এক পর্যায়ে তাকে বললেন, "তোমার ভাইকে ওই খেজুর গাছটি দিয়ে দাও। আমি তোমার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছের জিম্মাদার হব।"
বিস্ময়কর হলেও আবু লুবাবা তারপরেও সেই খেজুর গাছ দিতে রাজী হলো না। রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এই পর্যায়ে চুপ হয়ে গেলেন। এর চেয়ে বেশী তিনি ﷺ তাকে আর কী বলতে পারেন!
উপস্থিত সাহাবীদের মধ্যে সাবিত (রাঃ)ও ছিলেন। তিনি আবু দাহদাহ নামে পরিচিত ছিলেন। মদীনায় তাঁর খুব সুন্দর একটি বাগান ছিল। প্রায় ৬০০ খেজুর গাছ ছাড়াও একটি মনোরম বাড়ি ও একটি পানির কুয়া ছিল সেখানে। মদীনার সব বড় ব্যবসায়ীদের কাছে আবু দাহদাহ (রাঃ) এর বাগানটি সুপরিচিত ছিল। তিনি স্বপরিবারে সেখানে বসবাসও করতেন।
আবু দাহদাহ (রাঃ) হঠাৎ রাসুলুল্লাহ্ ﷺ -এর কাছে গিয়ে বললেন, 'হে আল্লাহ্'র রাসুল ﷺ ! আমি যদি আবু লুবাবার কাছ থেকে ঐ খেজুর গাছটি কিনে এই ইয়াতীমকে দিয়ে দেই, তাহলে আমিও কি জান্নাতে একটি খেজুর গাছের মালিক হবো?' রাসুলুল্লাহ্ ﷺ বললেন, "হ্যাঁ, তোমার জন্যও জান্নাতে খেজুর গাছ থাকবে।" আবু দাহদাহ (রাঃ) সাথে সাথে আবু লুবাবাকে বললেন, 'আপনি আমার সেই সম্পূর্ণ বাগানটি গ্রহণ করে সেই খেজুর গাছটি আমাকে দিয়ে দিন।'
আবু লুবাবা 'দুনিয়াবী' এই বিনিময় বিশ্বাস করতে পারছিল না! হুঁশ ফিরলেই সে বলল, 'হ্যাঁ আমি আপনার খেজুর গাছের বাগানটি গ্রহণ করলাম। বিনিময়ে আমার সেই খেজুর গাছটি আপনাকে দিয়ে দিলাম।'
হযরত আবু দাহদাহ (রাঃ) সেই মূহুর্তেই খেজুর গাছটি ইয়াতীম ছেলেটিকে উপহার হিসাবে দিয়ে দিলেন। তারপর রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এর দিকে তাকিয়ে বললেন, 'হে রাসুলুল্লাহ্ ﷺ ! এখন আমি কি জান্নাতে একটি খেজুর গাছের মালিক হলাম'? রাসুলুল্লাহ্ ﷺ বললেন, "আবু দাহদাহ'র জন্য জান্নাতে এখন কত বিশাল বিশাল খেজুরের বাগান অপেক্ষা করছে।"
বর্ণনাকারী হযরত আনাস (রাঃ) বলেন, এ কথাটি রাসুলুল্লাহ্ ﷺ এক, দুই বা তিনবার বলেননি; বরং খুশী হয়ে বারবার বলেছেন।
শেষে আবু দাহদাহ (রাঃ) সেখান থেকে বের হয়ে সদ্য বিক্রি করে দেয়া সেই বাগানে ফিরে গেলেন। বাড়ির দরজায় এসে স্ত্রীকে ডাক দিলেন তিনি, 'হে উম্মে দাহদাহ! বাচ্চাদেরকে নিয়ে এ বাগান থেকে বের হয়ে আসো। আমি দুনিয়ার এই বাগান বিক্রি করে দিয়েছি'। তাঁর স্ত্রী বললেন, 'আপনি কার কাছে এটি বিক্রি করেছেন? কে কত দাম দিয়ে এটি কিনে নিয়েছে?'
আবু দাহদাহ (রাঃ) বললেন, 'আমি জান্নাতে একটি খেজুর বাগানের বিনিময়ে তা বিক্রি করে দিয়েছি'। তাঁর স্ত্রী বললেন, 'আল্লাহু আকবার! হে আবু দাহদাহ! আপনি অবশ্যই অত্যন্ত লাভজনক একটি ব্যবসা করেছেন'।

[মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ১২৫০৪; ইবনে হীব্বান, হাদীস ৭১৫৯; আস-সিলসিলা সাহীহাহ, হাদীস ২৯৬৪; মুস্তাদরাকে হাকীম, হাদীস ২১৯৪]

Timeline Photos

Timeline Photos

Like & Share

Like & Share

Like & Share

[08/29/16]   সহীহ বাংলা হাদিস

"যে ব্যক্তি কামনা করে যে, তাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, তার কাছে মৃত্যু যেন এমতাবস্থায় উপস্থিত হয় যে, আল্লাহ ও পরকালের প্রতি তার ঈমান আছে । এবং মানুষের সাথে এমন আচরণই করে, তাদের থেকে সে নিজে যেমনটি আশা করে।" ( সহিহ মুসলিম : ৬৯৬৪)

আবূ উমামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহর নিকট সে ব্যক্তিই অধিক উত্তম যে ব্যক্তি সর্বাগ্রে সালাম দেয়। (তিরমিযীঃ ২৬৯৪)

আবূ মূসা আশ'আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ এক মু'মিন অন্য মু'মিনের জন্য দেয়ালের ন্যায়। এর এক অংশ অন্য অংশকে মজবুত করে। (এ কথা বলার সময়) তিনি তাঁর এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতের আঙ্গুলের মাঝে ঢুকিয়ে দেখান। (বুখারীঃ ৪৮১, ২৪৪৬; মুসলিমঃ ২৫৮৫)

"হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুলে যাই, অথবা ভুল করি তাহলে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না।(রাব্বানা লা তু আখিজনা ইন্নাসিনা ওয়া আখতানা)" (সূরা বাকারাঃ ২৮৬)। এর জবাবে আল্লাহপাক বলেনঃ "আমি করলাম।" (মুসলিমঃ ১২৬) অর্থ্যাৎ এই প্রার্থনা মঞ্জুর হয়েছে।

আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজ গৃহে অন্তরীণ কুমারী মেয়েদের চেয়েও বেশি লজ্জাশীল ছিলেন। তিনি যদি এমন কিছু দেখতেন যা তিনি অপছন্দ করেন, তবে আমরা তা তাঁর চেহারায় [ফুটে উঠা অভিব্যক্তি থেকে] সনাক্ত করতে পারতাম।
(বুখারীঃ ৬১০২; মুসলিমঃ ২৩২০)

[07/08/16]   "হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুলে যাই, অথবা ভুল করি তাহলে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না।(রাব্বানা লা তু আখিজনা ইন্নাসিনা ওয়া আখতানা)" (সূরা বাকারাঃ ২৮৬)। এর জবাবে আল্লাহপাক বলেনঃ "আমি করলাম।" (মুসলিমঃ ১২৬) অর্থ্যাৎ এই প্রার্থনা মঞ্জুর হয়েছে।

[07/08/16]   আবূ মূসা আশ'আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ এক মু'মিন অন্য মু'মিনের জন্য দেয়ালের ন্যায়। এর এক অংশ অন্য অংশকে মজবুত করে। (এ কথা বলার সময়) তিনি তাঁর এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতের আঙ্গুলের মাঝে ঢুকিয়ে দেখান। (বুখারীঃ ৪৮১, ২৪৪৬; মুসলিমঃ ২৫৮৫)

[07/08/16]   আবূ উমামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহর নিকট সে ব্যক্তিই অধিক উত্তম যে ব্যক্তি সর্বাগ্রে সালাম দেয়। (তিরমিযীঃ ২৬৯৪)

[07/08/16]   "যে ব্যক্তি কামনা করে যে, তাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, তার কাছে মৃত্যু যেন এমতাবস্থায় উপস্থিত হয় যে, আল্লাহ ও পরকালের প্রতি তার ঈমান আছে । এবং মানুষের সাথে এমন আচরণই করে, তাদের থেকে সে নিজে যেমনটি আশা করে।" ( সহিহ মুসলিম : ৬৯৬৪)

[05/28/16]   পরিচ্ছদঃ ১/৩. পরিচ্ছেদ নাই।

৩. উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট সর্বপ্রথম যে ওয়াহী আসে, তা ছিল নিদ্রাবস্থায় বাস্তব স্বপ্নরূপে। যে স্বপ্নই তিনি দেখতেন তা একেবারে প্রভাতের আলোর ন্যায় প্রকাশিত হতো। অতঃপর তাঁর নিকট নির্জনতা পছন্দনীয় হয়ে দাঁড়ায় এবং তিনি ‘হেরা’র গুহায় নির্জনে অবস্থান করতেন। আপন পরিবারের নিকট ফিরে এসে কিছু খাদ্যসামগ্রী সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার পূর্বে- এভাবে সেখানে তিনি এক নাগাড়ে বেশ কয়েক দিন ‘ইবাদাতে মগ্ন থাকতেন। অতঃপর খাদীজাহ (রাঃ)-এর নিকট ফিরে এসে আবার একই সময়ের জন্য কিছু খাদ্যদ্রব্য নিয়ে যেতেন। এভাবে ‘হেরা’ গুহায় অবস্থানকালে তাঁর নিকট ওয়াহী আসলো। তাঁর নিকট ফেরেশতা এসে বললো, ‘পাঠ করুন’। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ [‘‘আমি বললাম, ‘আমি পড়তে জানি না।] তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ [অতঃপর সে আমাকে জড়িয়ে ধরে এমনভাবে চাপ দিলো যে, আমার খুব কষ্ট হলো। অতঃপর সে আমাকে ছেড়ে দিয়ে বললো, ‘পাঠ করুন’। আমি বললামঃ আমি তো পড়তে জানি না।’ সে দ্বিতীয়বার আমাকে জড়িয়ে ধরে এমনভাবে চাপ দিলো যে, আমার খুব কষ্ট হলো। অতঃপর সে আমাকে ছেড়ে দিয়ে বললোঃ ‘পাঠ করুন’। আমি উত্তর দিলাম, ‘আমি তো পড়তে জানি না।’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, অতঃপর তৃতীয়বারে তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরে চাপ দিলেন। তারপর ছেড়ে দিয়ে বললেন, ‘‘পাঠ করুন আপনার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। যিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত পিন্ড থেকে, পাঠ করুন, আর আপনার রব অতিশয় দয়ালু’’- (সূরাহ্ ‘আলাক্ব ৯৬/১-৩)।

অতঃপর এ আয়াত নিয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -প্রত্যাবর্তন করলেন। তাঁর হৃদয় তখন কাঁপছিল। তিনি খাদীজাহ বিন্তু খুওয়ায়লিদের নিকট এসে বললেন, ‘আমাকে চাদর দ্বারা আবৃত কর’, ‘আমাকে চাদর দ্বারা আবৃত কর।’ তাঁরা তাঁকে চাদর দ্বারা আবৃত করলেন। এমনকি তাঁর শংকা দূর হলো। তখন তিনি খাদীজাহ (রাঃ)-এর নিকট ঘটনাবৃত্তান্ত জানিয়ে তাঁকে বললেন, আমি আমার নিজেকে নিয়ে শংকা বোধ করছি। খাদীজাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম, কখনই নয়। আল্লাহ্ আপনাকে কখনও লাঞ্ছিত করবেন না। আপনি তো আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সদাচরণ করেন, অসহায় দুস্থদের দায়িত্ব বহন করেন, নিঃস্বকে সহযোগিতা করেন, মেহমানের আপ্যায়ন করেন এবং হক পথের দুর্দশাগ্রস্তকে সাহায্য করেন। অতঃপর তাঁকে নিয়ে খাদীজাহ (রাঃ) তাঁর চাচাতো ভাই ওয়ারাকাহ ইবনু নাওফাল ইবনু ‘আবদুল আসাদ ইবনু ‘আবদুল ‘উযযাহ’র নিকট গেলেন, যিনি অন্ধকার যুগে ‘ঈসায়ী ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। তিনি ইবরানী ভাষায় লিখতে পারতেন এবং আল্লাহর তাওফীক অনুযায়ী ইবরানী ভাষায় ইনজীল হতে ভাষান্তর করতেন। তিনি ছিলেন অতিবৃদ্ধ এবং অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। খাদীজাহ (রাঃ) তাঁকে বললেন, ‘হে চাচাতো ভাই! আপনার ভাতিজার কথা শুনুন।’ ওয়ারাকাহ তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ভাতিজা! তুমি কী দেখ?’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা দেখেছিলেন, সবই বর্ণনা করলেন। তখন ওয়ারাকাহ তাঁকে বললেন, এটা সেই বার্তাবাহক যাঁকে আল্লাহ মূসা (আঃ)-এর নিকট পাঠিয়েছিলেন। আফসোস! আমি যদি সেদিন থাকতাম। আফসোস! আমি যদি সেদিন জীবিত থাকতাম, যেদিন তোমার কওম তোমাকে বহিষ্কার করবে।’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, [‘তারা কি আমাকে বের করে দেবে?’] তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, তুমি যা নিয়ে এসেছো অনুরূপ (ওয়াহী) কিছু যিনিই নিয়ে এসেছেন তাঁর সঙ্গেই বৈরিতাপূর্ণ আচরণ করা হয়েছে। সেদিন যদি আমি থাকি, তবে তোমাকে জোরালোভাবে সাহায্য করব।’ এর কিছুদিন পর ওয়ারাকাহ (রাঃ) ইন্তিকাল করেন। আর ওয়াহীর বিরতি ঘটে। (৩৩৯২, ৪৯৫৩, ৪৯৫৫, ৪৯৫৬, ৪৯৫৭, ৬৯৮২; মুসলিম ১/৭৩ হাঃ ১৬০, আহমাদ ২৬০১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩)

[05/28/16]   পরিচ্ছদঃ ১/২. পরিচ্ছেদ নাই।

২. উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। হারিস ইবনু হিশাম (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনার নিকট ওয়াহী কিরূপে আসে?’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ [কোন কোন সময় তা ঘণ্টা বাজার মত আমার নিকট আসে। আর এটি-ই আমার উপর সবচেয়ে বেদনাদায়ক হয় এবং তা শেষ হতেই মালাক (ফেরেশতা) যা বলেন আমি তা মুখস্থ করে নেই, আবার কখনো মালাক মানুষের রূপ ধারণ করে আমার সাথে কথা বলেন। তিনি যা বলেন আমি তা মুখস্থ করে নেই।] ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি তীব্র শীতের সময় ওয়াহী নাযিলরত অবস্থায় তাঁকে দেখেছি। ওয়াহী শেষ হলেই তাঁর ললাট হতে ঘাম ঝরে পড়ত। (৩২১৫; মুসলিম ৪৩/২৩, হাঃ ২৩৩৩, আহমাদ ২৫৩০৭, ২৬২৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২)

[05/28/16]   পরিচ্ছদঃ ১/১. আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি কীভাবে ওয়াহী শুরু হয়েছিল।

وَقَوْلُ اللهِ جَلَّ ذِكْرُهُ }إِنَّا أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ كَمَا أَوْحَيْنَا إِلَى نُوحٍ وَالنَّبِيِّينَ مِنْ بَعْدِ­­هِ{

এ মর্মে আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ ‘‘নিশ্চয় আমি আপনার প্রতি সেরূপ ওয়াহী প্রেরণ করেছি যেরূপ নূহ ও তাঁর পরবর্তী নাবীদের (নবীদের) প্রতি ওয়াহী প্রেরণ করেছিলাম।’’ (সূরাহ্ আন-নিসা ৪/১৬৩)

১. ‘আলক্বামাহ ইবনু ওয়াক্কাস আল-লায়সী (রহ.) হতে বর্ণিত। আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ [কাজ (এর প্রাপ্য হবে) নিয়্যাত অনুযায়ী। আর মানুষ তার নিয়্যাত অনুযায়ী প্রতিফল পাবে। তাই যার হিজরাত হবে ইহকাল লাভের অথবা কোন মহিলাকে বিবাহ করার উদ্দেশে- তবে তার হিজরাত সে উদ্দেশেই হবে, যে জন্যে, সে হিজরাত করেছে।] (৫৪, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)

শারী‘আহ্‌র মূল উৎস হচ্ছে ওয়াহী। ওয়াহী দু’ প্রকার। ওয়াহী মাতলু (আল-কুরআন) ও ওয়াহী গাইরে মাতলু (সুন্নাহ ও হাদীস)। এবং দ্বীনে ইলাহীর ভিত্তি শুধুমাত্র দু’টি জিনিসের উপর প্রতিষ্ঠিত। ইজমা‘ ও কিয়াস কোন শার‘ঈ দলীল নয়। বরং যে কিয়াস এবং ইজমা‘ ওয়াহীর পক্ষে অর্থাৎ কুরআন ও সুন্নাহ মুতাবিক হবে তা গ্রহণযোগ্য এবং যেটা বিপক্ষে যাবে সেটা পরিত্যাজ্য ও অগ্রহণযোগ্য। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা‘আলার বাণী ঃ
(يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ذَلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلاً) (النساء:৫৯)
(يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَلا تُبْطِلُوا أَعْمَالَكُمْ) (محمد:৩৩)
কিন-ু বাতিল ফির্কার লোকেরা ইজমা‘ ও কিয়াসকে ওয়াহীর আসনে বসিয়েছে এবং বলে থাকেঃ শারী‘আহ্‌র ভিত্তি চারটি বিষয়ের উপর। কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা‘ ও কিয়াস। বড় আশ্চর্যের বিষয় এই যে, সহাবায়ে কেরাম যাদের উপর আল্লাহ তা‘আলা তার সন্তুষ্টির ঘোষণা দিয়েছেন, তাদেরকে সত্যবাদী বলে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে এবং মুসলিম উম্মাহ এ ব্যাপারে সকলেই একমত। অথচ তারা সহাবায়ে কেরামকে দু’ ভাগে ভাগ করেছেন। (১) ফকীহ (২) গাইরে ফকীহ। আর বলেছেন যে সকল সহাবী ফকীহ ছিলেন তারা যদি কিয়াসের বিপরীতে হাদীস বর্ণনা করেন তবে তা গ্রহণযোগ্য কিন্তু যে সকল সহাবী গাইরে ফকীহ অর্থাৎ ফকীহ নন তাঁরা যদি কিয়াসের খেলাফ হাদীস বর্ণনা করেন তাহলে তা গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে না।
প্রকৃতপক্ষে এটা উম্মাতে মুহাম্মাদিয়াহকে সিরাতে মুস্তাকীমের পথ হতে সরিয়ে দেয়ার একটা বড় অস্ত্র এবং পরিকল্পনা। কেননা তাঁরা কিয়াসকে মূল এবং হাদীসকে দ্বিতীয় স্থানে রেখেছেন। সকল সহাবীর উপর আল্লাহ তা‘আলা সন্তুষ্ট কিন্তু তারা খুশী নন। সকল সহাবীর ব্যাপারে উম্মাতের ঐকমত্য রয়েছে। কিন্তু তাদের নিকট গাইরে ফকীহ সহাবীগণ ‘আদিল নন।

ধোঁকাবাজীর কিছু নমুনাঃ তারা বলেন, ফকীহ সহাবীগণ কিয়াসের খেলাফ হাদীস বর্ণনা করলে তা গ্রহণীয় হবে। কিন্তু গাইরে ফকীহ সহাবীগণ কিয়াসের খেলাফ হাদীস বর্ণনা করলে তা বাতিল হয়ে যাবে এবং কিয়াসের উপর ‘আমল করতে হবে।
বাই‘য়ি মুসারাহ এর হাদীস আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত এবং তা কিয়াসের খেলাফ। এই জন্য তা বাতিল। এবং কিয়াসের উপর ‘আমালযোগ্য। অথচ এই হাদীস ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাযি.) হতেও বর্ণিত হয়েছে।
(দেখুন সহীহ বুখারী ২৮৮ পৃষ্ঠা রশিদিয়া ছাপা)

[01/01/16]   আবদুল্লাহ ইবনে মাস‘ঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত,তিনি বলেন,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব (কোরআন)-এর একটি বর্ণ পাঠ করবে,তার একটি নেকী হবে। আর একটি নেকী দশটি নেকীর সমান হয়। আমি বলছি না যে, ‘আলিফ-লাম-মীম’ একটি বর্ণ; বরং আলিফ একটি বর্ণ,লাম একটি বর্ণ এবং মীম একটি বর্ণ।”
[তিরমিযী]

[07/23/15]   "যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ একটি বীজের মত, যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। প্রত্যেকটি শীষে একশ করে দানা থাকে। আল্লাহ অতি দানশীল, সর্বজ্ঞ।"

- সূরা আল বাক্বারাহ ২৬১

[07/23/15]   আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন:

'এক লোক মানুষের সাথে লেন-দেন করতো । সে তার গোলামকে বলে দিত, তুমি যখন কোন অভাবগ্রস্তের কাছে যাবে তখন তাকে ক্ষমা করে দিবে । হয়ত আল্লাহ্ আমাদেরও ক্ষমা করে দিবেন । এরপর সে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে মিলিত হল (মৃত্যুবরণ করল) । আর আল্লাহ্ তাঁকে মাফ করে দিলেন ।'

-[মুসলিম: ১৫৬২]

[07/23/15]   বিনয়ী হোন। আপনার অধিকারে যা আছে সেগুলো যেন আপনাকে এমন কথা না ভাবায় যে তারা চিরকাল আপনার কাছে রয়ে যাবে। আমাদের চেয়ে অনেক বেশি ছিলো এমন অনেক মানুষেরই এখন কিছুই নেই। আল্লাহ আমাদেরকে রক্ষা করুন।

— মুফতি ইসমাইল মেংক

[07/02/15]   আমি হিজাব করা শুরু করি লন্ডনে, এর আগে বাংলাদেশে থাকতে হিজাব নিয়ে কোন জ্ঞানই আমার ছিল না। এটা যে প্রত্যেক মুসলিম নারীর জন্য "অপশনাল" নাহ, বরং ৫ ওয়াক্ত সালাহ বা রমজানের রোজার মতোই "ফরয" একটা কাজ তা আমার চিন্তার শত শত মাইল দূরে ছিল। আলহামদুলিল্লাহ,লন্ডনে দ্বীন ইসলামের সাথে সত্যিকারভাবেই যখন পরিচিত হলাম, হিজাবের প্রতি ভালোবাসা গড়ে উঠলো। পরম মমতায় মাথায় কাপড় টেনে নিলাম। এরপর একে একে স্কার্ফ, বোরকা সবই পরেছি এবং কন্টিনিউ করছি।
লন্ডনের তাপমাত্রা বাংলাদেশের তুলনায় বাড়াবাড়ি রকম কম! সেখানে সামারে সবচেয়ে গরমের দিনটিতেও তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ২৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস। বাংলাদেশে এবার পা দিয়েই বুঝলাম ২৩ ডিগ্রী চলছে। বসন্ত পার হয়ে গ্রীষ্ম আসতে না আসতেই তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রীও ছাড়িয়ে গেছে, সুবহানআল্লাহ! এই গরমের মাঝে অনেকেই আছেন, "গরম লাগে" বলে হিজাব করেন না, মাথার কাপড়টাও ঠিকমতো দেন না, আজ তো বাইরে যেয়ে দেখলাম অনেকের বুকের ওড়নাখানাও নেই!

আসলে কি, লন্ডনে এতোদিন হিজাব করে আসা এই আমিও কোনদিন এতো রোদের মাঝে, ফুটন্ত সূর্যের নিচে কালো বোরকা পরে হেঁটে অভ্যস্ত ছিলাম না। কিন্তু তবুও আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে সহজেই হিজাব রক্ষা করে চলতে পারছি।

আজ একটা ব্যাপার আবারো স্পষ্টভাবে বুঝতে পারলাম, আমাদের সমস্যাটা "গরম"কে নিয়ে নয়, আমাদের সমস্যা আমাদের আক্বীদায় বা আমাদের "বিশ্বাসে"। যার মনে এই ভয় আছে হিজাব না করার অপরাধে জাহান্নামের আগুনে পুড়তে হবে, যে আগুনের উত্তাপ এই দুনিয়ার আগুনের চাইতে ৭০গুণ বেশি, সে কি আর গ্রীষ্মকালের গরমের ভয় পাবে?

আর যে জানবে এটাই মুসলিমাহর ভূষণ, তার সম্মান, তার মর্যাদা, সে ভালোবেসেই হিজাব করতে পারবে। আর যে হিজাবকে ভালোবাসবে, সে প্রচণ্ড রোদে ঘেমেনেয়েও হিজাব ধরে রাখতে পারবে। After all, ভালোবেসে মানুষ কতো অসম্ভবকেই সম্ভব করে ফেলে, আর আল্লাহকে ভালোবেসে, রাসূলুল্লাহ (সা) ভালোবেসে, ইসলামকে ভালোবেসে সে সামান্য হিজাব করতে পারবে না তা কি হয়?

Collected -
Sister
Anika Warda Tuba

Vous voulez que votre lieu de culte soit Lieu De Culte la plus cotée à Paris?

Cliquez ici pour réclamer votre Listage Commercial.

Emplacement

Adresse


Paris
Paris
7500
Autres lieux de culte à Paris (voir toutes)
CS Church Paris CS Church Paris
42 Rue Des Sept Arpents
Paris, 93500

Eglise universelle Universel Church

Eglise Evangélique de Paris XV Eglise Evangélique de Paris XV
25 Rue Fondary
Paris, 75015

Nous sommes de Jésus, nous sommes de l'Église, nous sommes de Paris!

Temple du Marais Temple du Marais
Rue Castex
Paris, 75004

Le Moulin - Jeunes de Saint-Ferdinand Le Moulin - Jeunes de Saint-Ferdinand
21 Bis Rue D'Armaillé
Paris, 75017

Paroisse Saint-Ferdinand-des-Ternes

L'Eglise Biblique Baptiste de Paris L'Eglise Biblique Baptiste de Paris
1 Rue André Gide
Paris, 75015

Nous sommes une église baptiste située dans le 15e arrondissement à Paris. Nous vous invitons à nous joindre ! Tous sont bienvenus!

Groupe de Prière Coeur de Jésus à Paris Groupe de Prière Coeur de Jésus à Paris
Place D'Estienne D'Orves
Paris, 75009

Groupe de prière Cœur de Jésus qui se réunit deux fois par mois à l'église de la Trinité à Paris dans le 9ème arrondissement. Chapelet. Louanges.

Paroisse Saint Nicolas des Champs Paroisse Saint Nicolas des Champs
254 Rue Saint Martin
Paris, 75003

« La paroisse est la maison du peuple de Dieu, celle où il vit, un lieu de créativité, de référence, de maternité. » Pape François

Paroisse Notre-Dame de l'Assomption des Buttes Chaumont Paroisse Notre-Dame de l'Assomption des Buttes Chaumont
80 B Rue De Meaux
Paris, 75019

Eglise catholique située dans le XIXème arrondissement près du métro Laumière.

Saint Merry - Centre Pastoral Saint Merry - Centre Pastoral
76 Rue De La Verrerie
Paris, 75004

Voici la page officielle de la communauté de Saint Merry - Centre Pastoral Halles Beaubourg

M.E.M - Mission Évangélique Mondiale M.E.M - Mission Évangélique Mondiale
10 Rue Augustes Perret
Paris, 94800

*Considérant l’impérieux devoir d’accomplir l’ordre suprême du Seigneur Jésus-Christ tel que cité dans l’évangile de Mathieu chapitre 28 : 18-20 ; * Petits et grands, jeunes et vieux, noirs, blancs ou jaunes, venant de tel ou tel hori

Paroisse sainte Geneviève et Saint Martin Paroisse sainte Geneviève et Saint Martin
11, Rue Saint Bernard
Paris, 75011

Paroisse orthodoxe Sainte Geneviève et Saint Martin Patriarcat de Roumanie Métropole pour l'Europe occidentale et méridionale 11 rue Saint Bernard 75011 P

Temple du Marais Temple du Marais
17 Rue Saint-Antoine
Paris, 75004